৮ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ কত ছিল?
৮ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৬.১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। একই সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩১.৩৪ বিলিয়ন ডলার। এর আগের দিন, ৭ অক্টোবর গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৬.১২ বিলিয়ন ডলার। এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
৭ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ কত ছিল?
৭ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৬.১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী এই রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩১.৩১ বিলিয়ন ডলার। বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা ও বিভিন্ন বৈদেশিক পরিশোধের কারণে রিজার্ভে ওঠানামা অব্যাহত রয়েছে। আমদানি ব্যয়, বৈদেশিক ঋণ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক দায় পরিশোধের সঙ্গে রিজার্ভের পরিবর্তন সরাসরি সম্পর্কিত।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহের প্রবৃদ্ধি কত শতাংশ?
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (১ জুলাই থেকে ৩ অক্টোবর) বাংলাদেশে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় ১৫ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সময়ে মোট ৮.৯৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, অর্থবছরের শুরু থেকেই প্রবাসী কর্মীদের পাঠানো অর্থের পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। এই প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক গতি এনেছে।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত মোট কত বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে?
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৯.১০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৮.০০৮ বিলিয়ন ডলার, সে হিসাবে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ১৩.৭০ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, শুধু অক্টোবর মাসের প্রথম পাঁচ দিনেই ৫১৩ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে একনেক সভায় কত টাকা ব্যয়ের কয়টি প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে?
৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ১৬ হাজার ২০৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ের ১৩টি নতুন ও সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে বাগেরহাটের রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য ৩০টি মিটারগেজ লোকোমোটিভ সংগ্রহ প্রকল্প উল্লেখযোগ্য। এছাড়া, বিভিন্ন সিটি করপোরেশন ও গ্রামীণ এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নের প্রকল্পও রয়েছে।
রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য কী?
রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য হলো নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন বৃদ্ধি করা। এর পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানির উৎসে বৈচিত্র্য আনা এবং কার্বন নিঃসরণ কমানোও এই প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য। ৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে একনেক সভায় এই প্রকল্পটি অনুমোদন করা হয়। এটি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও পরিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বাংলাদেশ সরকার ও ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংক (ইআইবি) নারীর স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে কত ইউরো বিনিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে?
১০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ সরকার ও ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংক (ইআইবি) নারীর স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালী করতে ২৫০ মিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে। 'উইমেনস হেলথ ইনিশিয়েটিভ' নামের এই কর্মসূচির আওতায় ২০২৭ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪ কোটি ৭০ লাখ নারী ও কিশোরীর স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা, জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যানসারের চিকিৎসা এবং জরুরি প্রসূতিসেবা উন্নত করা হবে। এটি ভবিষ্যতে মহামারি মোকাবিলায়ও সহায়তা করবে।
বাংলাদেশের কৃষি খাতের বর্তমান অবস্থা কেমন?
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষি একটি অন্যতম চালিকাশক্তি এবং কর্মসংস্থানের সবচেয়ে বড় খাত। দেশের জিডিপিতে কৃষির অবদান ১৪.১০ শতাংশ এবং মোট শ্রমশক্তির ৪০.৬ ভাগ এই খাতে নিয়োজিত। ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে এবং আলু উৎপাদনেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। সরকারি প্রণোদনা ও সহায়তার মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল ও কর্ণফুলী টানেলের বর্তমান অবস্থা কী?
পদ্মা সেতু ইতিমধ্যে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে এবং এর ওপর দিয়ে রেলসংযোগ নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। মেট্রোরেলের উত্তরা থেকে আগারগাঁও অংশ চালু হয়েছে এবং মতিঝিল পর্যন্ত সম্প্রসারণের কাজ চলছে। কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে নির্মিত দেশের প্রথম টানেলও যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। এসব মেগা প্রকল্প দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে এবং জিডিপিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ফোরামে কী ভূমিকা পালন করছে?
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ফোরামে জোরালো ভূমিকা রাখছে এবং নেতৃত্ব দিচ্ছে। বাংলাদেশ দুইবার ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছে। দেশটি দুর্যোগ-পরবর্তী ত্রাণ কার্যক্রমের পরিবর্তে টেকসই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতি গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রতি বাংলাদেশের জলবায়ু স্থিতিশীলতা অর্জনে সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি কী?
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হলো 'সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে বৈরিতা নয়'। সম্প্রতি, নতুন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ঘোষণা করেছেন যে, এখন থেকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হবে 'বাংলাদেশ ফার্স্ট'। এর মাধ্যমে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা ও তার সম্প্রসারণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমমর্যাদা এবং জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করার পাশাপাশি দেশের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন বজায় রাখা হবে।
২০২৬ সালে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জন্য এর গুরুত্ব কী?
১৯৯৬ সালে ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির ৩০ বছরের মেয়াদ ২০২৬ সালেই শেষ হতে যাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে গঙ্গা চুক্তির নবায়ন প্রক্রিয়া বাংলাদেশের জন্য জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের বিষয়। তিস্তার পানি বণ্টনের মতো দীর্ঘস্থায়ী সংকটের সমাধানেও ভারসাম্যপূর্ণ ও বাস্তববাদী কূটনীতি অত্যন্ত কার্যকর হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ২০২৬ সাল বাংলাদেশের পানি কূটনীতির জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ভাগ্য নির্ধারক বছর।
১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে 'বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬' কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে?
১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে 'বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬' ঢাকার নভোথিয়েটারে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই মেলায় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এমপি বিসিএসআইআর বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত বিভিন্ন প্রযুক্তি ও পণ্য পরিদর্শন করেন। এই মেলা দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতের অগ্রগতি এবং উদ্ভাবনী প্রচেষ্টাকে তুলে ধরেছে। এটি বিজ্ঞান গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচনে সহায়ক।
৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান পাওয়া বাংলাদেশি বিজ্ঞানী কে?
৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের শফিক সিদ্দিকী। তিনি মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া সাবাহ (ইউএমএস)-এর ফ্যাকাল্টি অব কম্পিউটিং অ্যান্ড ইনফরমেটিক্সের অধ্যাপক। তাঁর গবেষণা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে অন্যতম প্রধান সূচক হিসেবে বিবেচিত সাইটেশনেও শক্ত অবস্থানে রয়েছে। তাঁর উদ্ভাবন নিয়ে মালয়েশিয়ার জাতীয় টেলিভিশনে একাধিক বিশেষ প্রতিবেদন প্রচারিত হয়েছে।
২৪ অক্টোবর কী দিবস হিসেবে পালিত হয়?
২৪ অক্টোবর প্রতি বছর 'জাতিসংঘ দিবস' হিসেবে পালিত হয়। ১৯৪৫ সালের এই দিনে জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয়েছিল। এই দিবসটি জাতিসংঘের লক্ষ্য ও অর্জন সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বাড়াতে এবং এর কার্যক্রমকে সমর্থন জানাতে পালিত হয়। বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্য হয় এবং আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি কেমন?
বাংলাদেশের পুঁজিবাজার বর্তমানে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং ডলারের বিনিময় হারের অস্থিরতা পুঁজিবাজারে প্রভাব ফেলছে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে এবং বাজারকে স্থিতিশীল করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর সুশাসন নিশ্চিত করতেও কাজ চলছে।
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের গুরুত্ব কী?
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জনে বেসরকারি খাতের ভূমিকা জরুরি বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতের সমন্বিত প্রচেষ্টায় দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করা সম্ভব। বিশেষ করে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য এবং বিশেষায়িত চিকিৎসায় এই অংশীদারত্ব কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
বাংলাদেশের কূটনীতিকে আরও অর্থনীতিমুখী করার প্রয়োজনীয়তা কেন দেখা দিয়েছে?
বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের কূটনীতিকে আরও অর্থনীতিমুখী করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা ও সম্প্রসারণের জন্য অর্থনৈতিক কূটনীতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশে বাংলাদেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং প্রবাসী আয় বৃদ্ধিতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করা হচ্ছে। আঞ্চলিক যোগাযোগ, বাণিজ্য ও জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানোর ওপরও জোর দেওয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রধান কাজ কী?
বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় দেশের বিজ্ঞান গবেষণা, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনী কার্যক্রমের প্রসারে কাজ করে। এটি জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কাউন্সিল কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত ও পরিকল্পিত হয়। মন্ত্রণালয় বিভিন্ন গবেষণা অনুদান, ফেলোশিপ প্রদান এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিষ্ঠানগুলোর তত্ত্বাবধান করে। ডিজিটাল রূপান্তর এবং নতুন প্রযুক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের সার্বিক উন্নয়নে এই মন্ত্রণালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
২ অক্টোবর কী দিবস হিসেবে পালিত হয়?
২ অক্টোবর ভারতের তিনটি জাতীয় দিবসের একটি, গান্ধী জয়ন্তী হিসেবে পালিত হয়। এটি মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিন। যদিও এটি মূলত ভারতের জাতীয় দিবস, আন্তর্জাতিকভাবেও তার অহিংসার দর্শন স্মরণ করা হয়। বাংলাদেশেও বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এই দিনে মহাত্মা গান্ধীকে স্মরণ করে থাকে।
বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের সংস্কারে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে?
বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের সংস্কারে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। খেলাপি ঋণ কমানো, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং ব্যাংকিং সেবার মান উন্নয়নে জোর দেওয়া হচ্ছে। ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা চালু এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তির প্রসারও এই সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকগুলোকে আরও শক্তিশালী ও স্থিতিশীল করতে নীতি সহায়তা প্রদান করছে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নতুন পাঁচটি অঞ্চলের সড়ক অবকাঠামো উন্নয়নে কত টাকার প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে?
৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত নতুন পাঁচটি অঞ্চলের ১৮ ওয়ার্ডের সড়ক অবকাঠামো ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে ৭৮৪ কোটি ৪৯ লাখ ৮৭ হাজার টাকার প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। এই প্রকল্পের মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৫৪৯ কোটি ১৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং ডিএসসিসির নিজস্ব অর্থায়ন ২৩৫ কোটি ৩৪ লাখ ৯৭ হাজার টাকা। প্রকল্পটি ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৯ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হবে। এর ফলে নগরবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের ভূমিকা কেমন?
বাংলাদেশ জাতিসংঘের একজন সক্রিয় সদস্য এবং আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হয় এবং শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী দেশ। বাংলাদেশের কূটনীতি শান্তিপূর্ণভাবে বিবাদ মীমাংসা এবং আঞ্চলিক সংযোগ স্থাপনের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর নেতৃত্ব প্রদানেও বাংলাদেশ অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।
বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তর প্রক্রিয়ার বর্তমান অবস্থা কী?
বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তর প্রক্রিয়া দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। বিভিন্ন সরকারি সেবা ডিজিটালাইজেশন করা হচ্ছে এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আইটি পার্ক গড়ে তোলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক স্থাপনের কাজও চূড়ান্ত বাস্তবায়নের পথে। রোবোটিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অন্যান্য আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।
৮ মার্চ কী দিবস হিসেবে পালিত হয়?
৮ মার্চ বিশ্বব্যাপী 'আন্তর্জাতিক নারী অধিকার ও আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস' হিসেবে পালিত হয়। এই দিনে নারী সমাজের অধিকার প্রতিষ্ঠা, লিঙ্গ সমতা অর্জন এবং সমাজে নারীর অবদানকে স্মরণ করা হয়। বাংলাদেশেও এই দিবসটি গুরুত্বের সাথে পালিত হয় এবং নারীর ক্ষমতায়ন ও অধিকার সুরক্ষায় বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
দেশের আমদানি ব্যয় ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের মধ্যে সম্পর্ক কী?
দেশের আমদানি ব্যয় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। আমদানি ব্যয় বাড়লে রিজার্ভ কমে যায়, কারণ আমদানির জন্য বৈদেশিক মুদ্রা পরিশোধ করতে হয়। অন্যদিকে, আমদানি ব্যয় কমলে বা রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স বাড়লে রিজার্ভ বৃদ্ধি পায়। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দেশের অর্থনীতির স্থিতিশীলতা রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলাদেশের কৃষি খাতের উন্নয়নে কৃষিবিদদের অবদান কেমন?
বাংলাদেশের কৃষি খাতের উন্নয়নে কৃষিবিদদের অবদান অনস্বীকার্য। তাদের গবেষণা ও উদ্ভাবনের ফলে ফসলের নতুন নতুন জাত সৃষ্টি হচ্ছে এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ধান, মাছ, ছাগল ও আলু উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্ব পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য স্থান অর্জন করেছে। কৃষিবিদদের প্রচেষ্টায় দেশ আজ খাদ্যে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে এবং কৃষি খামারের যান্ত্রিকীকরণ ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে আরও উন্নয়ন সম্ভব হচ্ছে।
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কোন দেশ আগ্রহ দেখাচ্ছে?
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীন দীর্ঘকাল ধরেই আগ্রহ দেখাচ্ছে। 'তিস্তা রিভার কমপ্রিহেনসিভ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রেস্টোরেশন প্রজেক্ট' নামে এই প্রকল্পটি বাংলাদেশের পানি ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ২০২৬ সালে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রেক্ষাপটে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাংলাদেশের পানি কূটনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই প্রকল্প তিস্তা নদীর পানি সংকট সমাধানে সহায়ক হতে পারে।
বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণায় কোন কোন ক্ষেত্রে অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে?
বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণায় তথ্যপ্রযুক্তি ও জৈবপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রসার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আইটি পার্ক গড়ে তোলার প্রক্রিয়া চলছে এবং অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক চূড়ান্ত বাস্তবায়নের পথে। রোবোটিক্স, নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন এবং গার্মেন্টস সেক্টরের আধুনিকায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ছোঁয়া লেগেছে। বিশ্বমানের গবেষণাগার প্রতিষ্ঠায়ও সরকার কাজ করছে।
৭ এপ্রিল কী দিবস হিসেবে পালিত হয়?
৭ এপ্রিল বিশ্বব্যাপী 'বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস' হিসেবে পালিত হয়। এই দিনটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) প্রতিষ্ঠার স্মরণে পালিত হয় এবং বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করে। বাংলাদেশেও এই দিবসটি গুরুত্বের সাথে পালিত হয় এবং জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।